হুজুর আমার সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর মতো ব্যবহার করেছে

মাদরাসার এক শিক্ষার্থীকে মেয়ে বানিয়ে দিনের পর দিন সর্বনাশ করেছেন এলাকায় ‘হুজুর’ বলে ব্যাপক পরিচিত এক মাদরাসা শিক্ষক। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (১১ ডিসেম্বর) স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে মেয়ের পরিবারের লোকজন বিচার চাইতে গেলে ঘটনাটি প্রকাশ পায়।

আরও পড়ুন : পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যান বসানো হয়েছে বৃহস্পতিবার। এর মাধ্যমে সংযোগ পেয়েছে পদ্মার দুই পার। যা নিয়ে বাঙালির অহংকার, আবেগ এবং ভালোবাসার শেষ নেই। অহংকার করবেই না কেন? এটি যে দেশের সর্ববৃহৎ সেতু। যা আবার করা হচ্ছে নিজস্ব অর্থায়নে।

তবে সেতুর কাজ সম্পূর্ণ শেষ হওয়ার আগেই পদ্মার পার জুড়ে শুরু হয়েছে পিকনিক। ছোট ছোট দল সেখানে আসছে দর্শানার্থী হিসেবে। সেখানেই রান্না, সেখানেই খাওয়া। এর মধ্যেই কেউ কেউ পদ্মার পিলারে স্মৃতি লিখছেন।

কেউ বা করছেন অহেতুক আঁকাবুকি। যা নষ্ট করছে সেতুর সৌন্দর্য। আগে থেকেই নিষেধ ছিল পদ্মাসেতুর পিলারের গায়ে লেখালিখি বা আঁকিবুকি। তবু সেতু এলাকায় ঘুরতে যাওয়া লোকজন নিয়মিত এ কাজটি করছে।

এমন ঘটনা বেশি ঘটেছে পদ্মার চরে থাকা পিলারগুলোতে। যা সম্পূর্ণ অবৈধ বলছে সেতু কর্তৃপক্ষ। চরে থাকা তিন-চারটি পিলারে বিভিন্ন ধরনের লেখা ও আঁকিবুকি দেখায়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে নানা তর্ক-বিতর্ক।

সেতুর প্রকৌশলীরা জানান, সেতুটি সুন্দর করতে শ্রমিক, প্রকৌশলীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। একদল মানুষ সেখানে এরকম কাজ করছেন। যেটা আমাদের মর্মাহত করে। তবে সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হলে তখন এসব থাকবে না বলেও জানান তারা।

মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজুল কবীর গণমাধ্যমকে বলেন, মুন্সিগঞ্জের মাওয়া অংশে থাকা পিলার যাতে সুরক্ষিত থাকে এজন্য নৌ-পুলিশের সদস্যরা কাজ করছেন। চরের অংশে থাকা পিলারে যাতে কেউ লেখালেখি না করে সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।